বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির জন্ম হয়েছে। বিএনপি রাজনীতির মাধ্যমে দেশে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠিত করেছিল এবং ভবিষ্যতেও করবে। এত ঝড়ঝাপটার পরও এখনো বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। আমাদের প্রতিপক্ষ যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁরা পুলিশের সাহায্য না নিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সাহায্য না নিয়ে মাঠে এসে দাঁড়াক, তারপর দেখা যাবে উনারা কোথায় আছেন আর আমরা কোথায় আছি।’

জমির উদ্দিন সরকার আরও বলেন, ‘আমরা কাজ করেছি সাধারণ মানুষের জন্য। পঞ্চগড়কে সাব–ডিভিশন থেকে জেলা করেছি। এ ছাড়া এখানকার সরকারি অফিস, স্কুল-কলেজসহ যত উন্নয়ন হয়েছে, সবই বিএনপির সময়ই হয়েছিল।’ তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, ‘আজকে যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁরা দেখাক, আমাদের উন্নয়নের বাইরে তাঁরা কী কী উন্নয়ন করেছেন।’

জাতীয় সংসদের সাবেক এই স্পিকার বলেন, ‘যদি আইনের শাসন না থাকে, তাহলে দেশে কোনো দিন শান্তি স্থাপিত হতে পারে না। দেশে আজকে আইনের শাসন নেই। আজকে জনগণের যে ক্ষমতা, ভোটের অধিকার, সেটা তাঁরা নিজের মতো করে দিতে পারেন না।’

জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে জমির উদ্দিন সরকার বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে নিশ্চয়ই বিএনপি নির্বাচন করবে। তবে নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। এ জন্য সরকারের সদিচ্ছার দরকার। তারপর নিরপেক্ষ বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে সংবিধান সংশোধন করতে হবে, নাকি অন্য কোনো উপায় বের করা হবে, তা আইনজ্ঞদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুহম্মদ নওশাদ জমির, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর হেলাল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম, সদস্যসচিব ফরহাদ হোসেন আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পঞ্চগড় পৌরসভার সাবেক মেয়র তৌহিদুল ইসলামসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জমির উদ্দিন সরকার পরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন