বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকাল পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্ত যুবকের সন্ধান না পাওয়ায় চিকিৎসক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন। তাঁরা হাসপাতালের প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। দুপুর ১২টায় নাটোর-২ আসনের সাংসদ শফিকুল ইসলাম ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ কুমার আন্দোলনরত চিকিৎসক-কর্মচারীদের কাছে যান। এই প্রতিবেদন লেখার সময় তাঁদের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

চিকিৎসক রবিউল আউয়াল বলেন, নিরাপত্তাকর্মী সুজন চন্দ্র দাস তাঁর কক্ষের রোগীদের সিরিয়াল করার দায়িত্ব পালন করছিলেন। সদর উপজেলার গুচ্ছগ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে আল আমিন (২২) নিয়ম ভেঙে কক্ষে ঢোকেন, নিরাপত্তাকর্মী সুজন তাঁকে বাধা দেন। ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর সামনেই সুজনের ঊরুতে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান আল আমিন। সুজনের ঊরুতে সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানান, অভিযুক্ত আল আমিন পালিয়ে গেছেন। তাঁকে আটক করার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে আহত সুজন চন্দ্র থানায় আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত মামলা দেননি। মামলা দিলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদর হাসপাতালের সহাকারী পরিচালক পরিতোষ কুমার বলেন, ‘অভিযোগ না দেওয়ার কথা ঠিক নয়। আমরা মঙ্গলবারই থানায় লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছি। এদিকে নিরাপত্তার দাবিতে চিকিৎসক-কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। তবে জরুরি বিভাগ চালু আছে। স্থানীয় সাংসদ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন