সংকট নিরসনে স্মারকলিপিতে ১২ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। সংগঠনের নেতারা দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও বিমানবন্দরের মতো নৌবন্দরের ইজারা প্রথা বাতিল করে টোল আদায় বন্ধ করা; নৌ পরিবহনে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে আগের ভাড়া কার্যকর করা; নৌ পরিবহনে ভ্রমণকারী শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়া নেওয়া; ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা; প্রতিটি নৌযানে পর্যাপ্ত বয়া, লাইফ জ্যাকেটসহ সর্বোচ্চ যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত ও স্টাফদের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া; দ্রুত নৌ পরিবহনে যাত্রী বিমা চালু করা; প্রতিটি লঞ্চের ইঞ্জিনরুমের পাশ থেকে খাবার হোটেল, ক্যানটিন সরিয়ে নেওয়া।

এ ছাড়া দক্ষ মাস্টার, সুকানি ও গিজার নিয়োগ দেওয়া এবং ফিটনেসবিহীন নৌযান বন্ধ করা; লঞ্চ স্টিমারের ক্যানটিন ও চায়ের দোকানে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ করা; নৌযান কর্মচারী ও ঘাটশ্রমিকদের দ্বারা যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া; নৌ ভ্রমণে যাত্রীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টিসহ যেকোনো ধরনের প্রতারণার দায় ও ক্ষয়ক্ষতি নৌ-কর্তৃপক্ষকে নেওয়ার ব্যবস্থা করা; ঢাকা-বরিশাল-খুলনা নৌপথে আগের মতো সপ্তাহে সাত দিন স্টিমার ও অত্যাধুনিক দ্রুতগতির নৌযান চালু করা।

১২ দফা দাবি বাস্তবায়নসহ আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বর্ষা মৌসুমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লাখো যাত্রী যাতে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে, সে জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান নৌযাত্রী ঐক্য পরিষদের নেতারা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন