সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকায় পানি স্থির অবস্থায় আছে। ধীরে ধীরে নামছে। শাহজালাল উপশহরের সড়ক দিয়ে নৌকা, রিকশা, ভ্যান চলাচল করছে। মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত কয়েকটি অটোরিকশা চলাচল করলেও কয়েকটি সড়কের মাঝপথে আটকে যেতে দেখা গেল। ট্রাকে করে পরিবহন করা হচ্ছিল পানি ও মালামাল।

উপশহরের ডি ব্লকের ২৩ নম্বর সড়কে কথা হয় বাসিন্দা নোমান আহমদের (৩২) সঙ্গে। বললেন, সোনাপাড়া এলাকার মসজিদ থেকে ভ্যানে করে পানি এনে ব্যবহার করা হচ্ছে। চাহিদা মেটাতে বোতলজাত পানি পান করছেন।

ডি ব্লকের ১৪ নম্বর বাসায় ঘর থেকে পানি বের করছিলেন জাকির হোসেন (৩৫)। এ সময় তাঁকে সহযোগিতা করছিলেন আবদুল খালিক (৪০)। তাঁরা বলেন, পানি বাড়তে দেখে গত বৃহস্পতিবার বাঁধ দিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার বাঁধের ওপর দিয়ে ঘরে পানি ঢোকে। এতে একটি ফ্রিজ, পালঙ্কের ওপর বিছানো তোশক, বালিশ পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে।

উপশহরের এ ব্লকের একটি সড়কে জাল ফেলে হাঁটুপানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছিলেন নাইমুর রহমান নামের এক যুবক। তিনি বলেন, এখানে আগে কোমরের ওপরে পানি ছিল। এখন জালে ছোট মাছ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান নাইমুর।

পানি বৃদ্ধির কারণে গত শুক্রবার বাসা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়া ইমরাজ আলী আজ বাসায় ফিরেছেন। তিনি এ ব্লকের ৪ নম্বর সড়কের বাসিন্দা। বললেন, ‘এখন আমরা ত্রাণ কিংবা অন্য কিছু চাই না। বিদ্যুৎ আর পানি চাই। পানি তোলার পাম্প তলিয়ে গিয়ে অকেজো হয়ে গেছে। এখন বিদ্যুৎ এলে পানি তোলবো, সে ব্যবস্থাও নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন