বিজ্ঞাপন

গ্রামের বাসিন্দা রিনা বেগম বলেন, নদীতে জোয়ারের উচ্চতা শুধু বাড়ছেই। ভাটা হওয়ার কথা সাধারণত ৬ ঘণ্টা। তবে বাতাস বেশি থাকায় ভাটা হচ্ছে মাত্র তিন ঘণ্টা। এতে পানির উচ্চতা খুব একটা কমছে না। এক একটি জোয়ার যাচ্ছে, রাস্তাঘাট-ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, সকাল আটটায় শুরু হওয়া জোয়ার চলবে কমপক্ষে বেলা দেড়টা পর্যন্ত। সেই পর্যন্ত তাদের চিন্তায় থাকতে হবে।

মোংলা বন্দরের পশুর নদে থাকা ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের কার্গো জাহাজ পাশের ছোট নদী ঢাংমারী নদীতে ঢুকে পড়েছে নিরাপদে থাকার জন্য। দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে কার্গো জাহাজের।

default-image

রেখামারি গ্রামের বাসিন্দা মুহাম্মদ হান্নান মোড়ল বলেন, ‘গতকাল সারা রাত এক ফোঁটাও ঘুম হয়নি। ঘরের ভেতরে বসে ছিলাম। কখন না জানি ভেঙে যায়, এই চিন্তা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ঘর ভেঙে যায়নি। আজ রাতে আবার বড় জোয়ার হবে, তখন কী হবে তা বলতে পারি না।’

পাশে থাকা রেকসোনা বেগম বলেন, ‘নদীর পাড়ের মানুষ আমরা। ছোটখাটো ঝড় আসলেই পরানডা পুঁটি মাছের মতো হয়ে যায়। তখনকার কথা কী আর বলব! কিন্তু কিছু করার নেই।’ শেখ সেলিম বলেন, ‘আপনারা তো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলেন। কিন্তু আশ্রয়কেন্দ্রে কত মানুষ, আমরা গিয়ে তো জায়গা পাই না। ঝড় আসলে জেগে থেকে রাত কাটানো আমাদের নিয়তি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন