বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান টেকনো বিল্ডার্স, জন্মভূমি নির্মাণ এবং ওহিদুজ্জামান চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান। তাঁদের চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ কাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া ১৯ জুলাই পর্যন্ত। জুন মাসের প্রথম দিকে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার সাড়ে তিন মাস পরও এখনো কাজ শেষ হয়নি।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, টাউন হলের সামনে থেকে পোস্ট অফিস পর্যন্ত সড়কের এক পাশ খুঁড়ে রাখা হয়েছে। সেখানে রডের গাঁথুনি দেওয়া হচ্ছে। অন্য পাশ দিয়ে থেমে থেমে যান চলাচল করছে। ওই এলাকায় যানজট লেগেই আছে। ফলে আশপাশের ছোট গলিগুলোতে প্রচুর ভিড়। বড় সড়কের গাড়ি ছোট গলি দিয়ে চলাচল করায় পথচারীরাও ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

শহরের বাণিজ্যিক এলাকার ব্যবসায়ী মোশাহেদ আহমেদ বলেন, ঢিলেঢালাভাবে কাজ করায় এ বিলম্ব হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিছু কাজ করে, কিছুদিন কাজ বন্ধ রাখে। এতে শহরবাসীর ভোগান্তি বেড়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী জয় প্রকাশ বলেন, তাঁদের প্রাথমিক বিল পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হয়। যে কারণে এ কাজে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে আগামী দুই-তিন সপ্তাহের ভেতরে এ কাজ শেষ করতে পারবেন।

হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী বলেন, সড়কে কাজ চলা অবস্থায় মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। ফলে কাজ শেষ হতে একটু দেরি হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন