প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘জিততেই হবে, যেকোনোভাবে জিতব, প্রয়োজনে হত্যা করে জিততে হবে—এ মানসিকতা নির্বাচনে যাবতীয় সন্ত্রাসের জন্ম দেয়। আমাদের এ মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’
শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, ‘আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে মানাতে না পারলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। আমরা চাই না নির্বাচনে সহিংসতা হোক, জানমালের ক্ষতি হোক, সম্পদ নষ্ট হোক। এ জন্য নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। মাস্তান–সন্ত্রাসীরা যেন প্রার্থীদের হাতিয়ার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

রিটার্নিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে সৎ, সাহসী ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোট গণনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কেন্দ্র থেকে তা পুনরায় গুনে ফলাফল কেন্দ্রে দিয়ে আসতে হবে। কোনো অবস্থাতেই কেন্দ্রের বাইরে কিংবা উপজেলা পরিষদে এনে ভোট গণনার কোনো সুযোগ নেই, এটি আইনবহির্ভূত।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক। অন্যদের মধ্যে বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার দুই নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম ও এ বি এম আজিজুল হোসেন, দুই থানার দুই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূরুল আলম ও মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও র‌্যাব-৮ ফরিদপুরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর ফরিদপুরের বোয়ালমারীর ১০টি, আলফাডাঙ্গা উপজেলার ৩টিসহ মোট ১৩টি ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।