বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় আগামীকাল কীভাবে ব্যাংকের কার্যক্রম চালাবেন—এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবস্থাপক ভবতোষ চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ‘গত সোমবার শুনি ব্যাংকের চারজনকে দায়িত্ব দেবে। আজ সকালে ব্যাংকে কর্মরত সবাইকে নির্বাচনের দায়িত্বে রাখা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সকাল থেকেই একাধিকবার যাওয়া-আসা করেছি। শাখা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। নির্বাচনের দিন ব্যাংক চালানো নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি।’

একই সমস্যায় পড়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ১১ জন চিকিৎসক ও ৫ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে নয়জন চিকিৎসককে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্টাফ নার্সের মধ্যে চারজনকেও নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অভিজিৎ রায় বলেন, বিষয়টি জেলা সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নূরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুজন সহকারী শিক্ষক মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। বিষয়টি তাঁরা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। তারপরও তাঁদের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য চিঠি দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইকবাল মিয়া বলেন, যাঁরা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন, তাঁদের নাম তালিকায় কীভাবে আসল, বিষয়টি তিনি জানেন না।

ইউএনও হালিমা খাতুন বলেন, দপ্তর অনুসারে তাঁর কাছে তথ্য নেই। তিনি এ বিষয়ে খোঁজ নেবেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, উপজেলায় লোকবল কম। তবে ব্যাংক ও স্বাস্থ্য খাতের ক্ষেত্রে বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন