বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মহসিন মিয়ার পক্ষের লোকজন আলেক মিয়াকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে গুরুতর আহত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অন্যদিকে এলাকার লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় রাত নয়টার দিকে আলেক মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আলেক মিয়ার ভাগনে বাহাউদ্দিন অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য মহসিন মিয়ার লোকজন মামাকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। হাসপাতালে চিকিৎসক মামাকে মৃত ঘোষণা করলে গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রঞ্জন বর্মণ জানান, নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন আছে। তাঁর দুই হাত ও একটি পা ভাঙা ছিল।

ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলে মাসুদ মিয়া ও মহসিন মিয়ার মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। বাঞ্ছারামপুর থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে। আজ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় দুপুর পর্যন্ত মামলা করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন