বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ফোনে আওয়ামী লীগ নেতার টাকা চাওয়ার বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

ধীমান সাহা: এটি জঘন্যতম একটি কাজ। নির্বাচন এলেই এই ধরনের কাজ হয়ে থাকে। কালোটাকার ছড়াছড়ি দেখা যায়। যাঁরা কালোটাকা আয় করেন, তাঁরাই নির্বাচনের সময় তা ব্যবহার করেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো দাবি জানাই, এ ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করা হোক।

প্রথম আলো: আপনি কালোটাকার ছড়াছড়ির কথা বলেছেন। এই সিটি নির্বাচনে কালোটাকা ছড়াছড়িটা কারা করছেন?

ধীমান সাহা: নির্বাচন এলে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যেই কালোটাকার ছড়াছড়ি দেখা যায়। নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এমনটাই দেখা গেল। যিনি টাকা দাবি করেছেন, আর যাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছে, দুজনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা। এটা সব ক্ষমতাসীন দলের জন্যই সত্য।

প্রথম আলো: ফোনালাপে শোনা গেছে খোকন সাহা ঠিকাদারি দেওয়ার কথা বলে দলের আরেক নেতা রফিকুল ইসলামের কাছে টাকা চেয়েছেন। টাকা না দিলে কাজ পাবেন না, এমন একটা হুমকিও আছে। তার মানে সবকিছু এমন লেনদেনের মাধ্যমে চলে?

ধীমান সাহা: অপরাধীরা তাদের অপরাধকর্ম এভাবেই করে যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ তার ব্যতিক্রম নয়।

প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না। তিনি দলের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন...

ধীমান সাহা: যিনি (খোকন সাহা) আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনের জন্য টাকা চেয়েছেন, বিগত দিনে কখনো তাঁকে প্রার্থীর পক্ষে দেখা যায়নি। হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রতি কেন এত দরদ তৈরি হলো, এটা একটা প্রশ্ন।

প্রথম আলো: দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, এটা কেন?

ধীমান সাহা: দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। না হলে আইনের শাসন থাকবে না। দ্রুত তাঁর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রথম আলো: কালোটাকার প্রভাবমুক্ত সুষ্ঠু ভোট নিয়ে আপনি কতটুকু আশাবাদী?

ধীমান সাহা: আমরা আশাবাদী। তবে আমরা ভয়ে আছি যে নির্বাচনে কালোটাকার প্রভাব পড়তে পারে। এই ধরনের ঘটনা একটি অশনিসংকেত। নির্বাচন কমিশনের উচিত, কালোটাকার প্রভাবমুক্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন করা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন