বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাবি আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সুজন সম্পাদক বলেন, একটা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নাগরিক। তাঁকে সর্বদা জাগ্রত থাকতে হয়। প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে। কেউ পেশাগত বা শখের বশে হয়তো এই কাজ করছেন। বাকিরা তাঁদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করছেন না। এটা না করতে পারলে সারা বাংলাদেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার সব উৎসের মালিক জনগণ। জনগণ তার প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে না পারলে, নির্বাচন যদি প্রহসনের হয়, তাহলে সেই ক্ষমতা জনগণের কাছে থাকে না। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে মধ্যরাতের ভোট ক্ষমতার সদ্ব্যবহার, নাকি অপব্যবহার? ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। জাতীয় সংসদের ইংরেজি হচ্ছে ‘হাউস অব দ্য পিপল’। জনগণের ঘর, অর্থাৎ জনপ্রতিনিধিরা থাকবেন সেখানে। অথচ এখানে কারা আছেন? এখানে অধিকাংশই দুর্বৃত্ত। সেখানেই তো গলদ।

সংলাপে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি বলেন, নীতিনৈতিকতা আলোচনার মধ্য দিয়ে তৈরি হবে। যত আলোচনা হবে, তত সমাজের চেহারা বদলাবে। শুদ্ধতার চর্চা শুরু হতে হবে পরিবার থেকে।

সুজন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েলের সভাপতিত্বে এই সংলাপে আরও বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এ বি সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক, বাসদের জেলা সমন্বয়ক নিখিল দাস, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর, গণসংহতি আন্দোলনের তরিকুল সুজন প্রমুখ।

সুজন মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহমেদুর রহমানের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট আঞ্চলিক (ঢাকা) সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন