বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লুত্ফুর রেজা এবং ন্যাপের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার তিনজনকে তাঁর দপ্তরে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। তখন প্রাণ গোপাল দত্ত ও মো. মনিরুল ইসলাম চা খান। কিন্তু জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লুত্ফুর রেজা ঢাকায় তাঁর কাজ আছে বলে ‘চা না খেয়েই’ চলে যান। এরপর লুত্ফুর কুমিল্লার আওয়ামী লীগ দলীয় এক সাংসদের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার সময় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে মো. লুত্ফুর রেজা বলেছিলেন, নির্বাচন থেকে সরবেন না। ওই শর্তে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপরও তিনি সরে গেলেন।

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে মো. লুত্ফুর রেজার মুঠোফোনে আজ বিকেল চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত অন্তত ১০ বার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁর ছেলের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জাতীয় পার্টির একজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার সময় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে মো. লুত্ফুর রেজা বলেছিলেন, নির্বাচন থেকে সরবেন না। ওই শর্তে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। তাঁর এভাবে সরে যাওয়া দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এর আগে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের উপনির্বাচনে গত ২০ জুন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জসিম উদ্দিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি সে সময় মুঠোফোন বন্ধ রাখেন। এ ঘটনায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির কমিটি বাতিল করা হয়। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেননি দলের প্রার্থী।’

জানতে চাইলে কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব ও সাবেক সাংসদ মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া আজ রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমিও লোকমুখে শুনেছি তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। কিন্তু ফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন