বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘কেউ কাউকে কিছু দিয়ে যায় না। আমরা যেমন যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, একইভাবে ভয়াবহ দানবীয় সরকারের কাছ থেকে মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারা নির্বাচনব্যবস্থাকে ভেঙে খান খান করে দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের ত্যাগকে স্মরণ করে আরেকবার দেশমাতৃকাকে স্বাধীন করার জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর বাসভূমি দেওয়ার জন্য গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দানবকে পরাজিত করতে হবে।’

default-image

র‌্যাবের সাত সদস্যকে আমেরিকায় ঢুকতে না দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বাহিনীটি বিশ্বের সামনে দেশকে কলঙ্কিত করেছে। বাহিনীর সাত সদস্যের বিরুদ্ধে ‘স্যাংশন’ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, তাঁরা বেআইনি, অন্যায়ভাবে, বিচারবহির্ভূতভাবে মানুষ হত্যা করেছেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যা আজকের কথা নয়, আমরা ১০ বছর ধরে এ কথা বলে আসছি।’

দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় (আওয়ামী লীগ) বলেছিল, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা। কিন্তু এখন চালের কেজি ৭০ টাকা। সে সঙ্গে লবণ, তেল, আদা, পেঁয়াজ, রসুনের দাম বাড়িয়ে দেশের মানুষের পকেট কেটে বড়লোক হয়েছে। বেগমপাড়ায় বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম তৈরি করা হচ্ছে।’

সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গউছ, মৌলভীবাজার বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা জায়গিরদার, নগর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম প্রমুখ।

বক্তারা সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভোট ছাড়া অটো পাস করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে বিশ্বাস করে না। সে জন্য তারা ভোটের আয়োজন করে মানুষকে কেন্দ্রে নিতে চায় না। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক মন্ত্রীর কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে। বক্তারা আরও বলেন, এখন বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের নামে হাজার হাজার মামলা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপিরও সময় আসবে। তখন আওয়ামী লীগ পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন