default-image

ধান চুরির অপবাদ দিয়ে করা একটি মামলায় সেই ভিক্ষুককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে তাঁকে নিয়ে পুলিশ আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছেছে বলে প্রথম আলোর এ প্রতিনিধিকে মুঠোফোন করে জানিয়েছেন ওই ভিক্ষুকের ছেলে আজিজুল মিয়া।

আজিজুল বলেন, ‘আব্বাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানা থেকে আদালতে নিয়ে আসছে।’
এ ব্যাপারে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আবদুল বারেককে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর তাঁকে মারধরের অভিযোগে বারেকের ছেলের করা মামলায় মাসুদ মিয়াকেও গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।’

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধান চুরির অপবাদ দিয়ে ভিক্ষুক আবদুল বারেককে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে। মারধরের পর ওই ব্যক্তিকে চোর আখ্যা দিয়ে উল্টো থানায় এনে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই যুবককে আটক করে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের বারোগরি পূর্বহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবদুল বারেক ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বনহাটি গ্রামের বাসিন্দা। বারেক কয়েক বছর ধরে বোরো ধান কাটার মৌসুমে মদনের গোবিন্দশ্রী এলাকায় এসে হাওরাঞ্চলের পাড়ায় পাড়ায় ধানভিক্ষা করেন। আর অভিযুক্ত মাসুদ মিয়া বারোগরি পূর্বহাটি গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।
এ নিয়ে আজ প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘ধান চুরির অপবাদ দিয়ে ভিক্ষুককে বেঁধে নির্যাতন’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন