বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শারমিনের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের বাবা রিকশা চালিয়ে সংসার চালান। অনেক কষ্টে তাঁর বাবা ১০ বছর আগে বোনকে শাহিনের সঙ্গে বিয়ে দেন। তাঁর বোনের এক বছর বয়সী ছেলেসহ দুটি সন্তান আছে। হঠাৎ করে তাঁর দুলাভাই শাহিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন খবর পান তাঁর বোন। এই নিয়ে শাহিন মারধর করেন শারমিনকে এবং তাঁকে পানির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ান। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাঁদের জানানো হয়নি। অবস্থা গুরুতর হলে তাঁর বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যান শাহিন। এ ঘটনায় তাঁরা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে পলাতক মো. শাহিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ওসব অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি। বিয়ের সন্দেহ নিয়ে তাঁর স্ত্রী সব সময় ঝগড়া করতেন। ঝগড়ার জের ধরেই তাঁর স্ত্রী নিজেই বিষ খেয়েছেন। তিনি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেছেন এবং চিকিৎসার জন্য টাকাও দিয়েছেন। মৃত্যুর পর আর তিনি হাসপাতালে যাননি।

জামালপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ ব্যানার্জি বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলেছেন ওই গৃহবধূ বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। লাশটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক বলে শুনেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন