বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিকেলে সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের মূল সৈকতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটকে দেওয়া হয়েছে। তবে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অনেক দর্শনার্থীই পুলিশি বাধা এড়িয়ে সৈকতে ঢুকে পড়েন। পরে তাঁদের সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। দর্শনার্থীদের অনেকের মুখেই মাস্ক ছিল না।

default-image

বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন পোশাককর্মী জিসান আহমেদ। করোনার মধ্যে ঘুরে বেড়ানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদের আগে টানা চাকরি করেছেন তিনি। ছুটি পেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে সৈকতে সময় কাটাতে আসেন।

পাশেই দাঁড়ানো ছিলেন মোহাম্মদ রানা নামের আরেক পোশাককর্মী। তাঁর মুখে মাস্ক ছিল না। তিনি বলেন, ‘অনেকক্ষণ মাস্ক লাগানো ছিল। এখন খুলেছি।’
পরিবারের দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে ঘুরতে আসেন আলতাফ উদ্দিন। তিনি বাধা এড়িয়ে সৈকতে ঢোকেন। আলতাফ উদ্দিন বলেন, দুই ছেলেকে সমুদ্র দেখাতে তিনি এসেছেন।

default-image

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সৈকতে বেশ কিছু দর্শনার্থীকে সতর্ক করেছে স্থানীয় প্রশাসন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, সৈকতে চারটি দল দায়িত্ব পালন করেছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কাউকে জরিমানা করা হয়নি, মামলাও হয়নি। তবে অনেক দর্শনার্থীকে সতর্ক করে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ রয়েছে। পতেঙ্গা সৈকতে কোনো দর্শনার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পুলিশের কয়েকটি দল নিয়মিত টহল দিচ্ছে। এ ছাড়া সৈকতে আসা ব্যক্তিগত কার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চেকপোস্টে আটকে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন