বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে আরও ৭৫ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ইনস্টিটিউটে ল্যাবরেটরি ও ফার্মেসি অনুষদে শিক্ষক না থাকায় তাঁরা নিয়মিত ক্লাস করতে পারছেন না। এ ছাড়া ল্যাবরেটরিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। ইনস্টিটিউটে কোনো অধ্যক্ষ নেই। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একজন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্বে থাকলেও তিনি শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক নন।

ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের ল্যাবরেটরি অনুষদের এক শিক্ষার্থী বলেন, ভর্তির পর তাঁদের মাত্র ২১টি ক্লাস নেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ইনস্টিটিউট খুললেও এ পর্যন্ত কোনো ক্লাস নেওয়া হয়নি। প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অনেকে অংশ নেননি। গোপালগঞ্জে পরীক্ষার কেন্দ্র হওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের ফরিদপুর মেডিকেল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। এ সময় পরীক্ষার কোনো প্রস্তুতি না থাকায় অনেকে ফাঁকা খাতা জমা দিয়েছেন।

ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা লেখাপড়া শিখতে এসেছি। শিক্ষকের অভাবে আমরা ক্লাস করতে পারিনি। আসবাব ও ল্যাবেরটরির যন্ত্রপাতি না থাকায় ব্যবহারিক ক্লাস করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের লেখাপড়া নিয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও হতাশার মধ্যে সময় পার করছি। আমাদের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। জেলা প্রশাসক আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আমরা পরবর্তী সময় আরও বড় কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী এনামুল হক বলেন, শিক্ষক সংকট ও ল্যাবরেটরির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধান হওয়া জরুরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, আইএইচটিতে শিক্ষক সংকটসহ কিছু সমস্যা রয়েছে। বিকেলে জেলা প্রশাসক ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আগামী রোববার থেকে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, শিক্ষার্থীরা যে বিষয় নিয়ে এসেছে এটা যৌক্তিক ও মানবিক বিষয়। ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটসহ কিছু সমস্যা রয়েছে। তাঁরা বিষয়গুলো স্থায়ীভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন। তবে এর জন্য একটু সময় দরকার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন