বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, নিয়ম ভেঙে ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের বের হওয়ার প্রবণতা অনেকে বেড়ে গেছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করতে অভিযান অব্যাহত আছে। আটক রোহিঙ্গাদের নিজ নিজ ক্যাম্পের পাশাপাশি উখিয়ার কুতুপালংয়ের ট্রানজিট ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ নারীসহ ৭৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান। উখিয়া থানার ওসি আহমেদ সনজুর মোরশেদ বলেন, আজ উখিয়া স্টেশন এলাকার আশপাশে অভিযান চালিয়ে ২০৮ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা প্রথম আলোকে বলেন, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে খাদ্যদ্রব্যসহ সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তারপরও কেউ কেউ সচ্ছল জীবনযাপনের আশায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন