default-image

নীলফামারীতে নতুন করে চারজনের শরীরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৮। তাঁদের মধ্যে ২৪৩ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। মারা গেছেন ১ নারীসহ ৬ জন। বর্তমানে জেলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ৮৯। সিভিল সার্জন রণজিৎ কুমার বর্মন এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল সোমবার রাতে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে ওই চারজনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। চারজনই নীলফামারী সদরের। তাঁরা হলেন উত্তরা ইপিজেডের ম্যাজেন বিডি কারখানার ৩৭ বছর বয়সী এক চীনা নাগরিক, পৌরসভার থানাপাড়ার ৩৫ বছর বয়সী এক নারী, পৌরসভার বেলালের মোড় এলাকার ৩২ বছরের একজন ও সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জয়চণ্ডী সোনারথ এলাকার ৩০ বছরের এক নারী।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রমতে, জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর ৩৩৮ জনের মধ্যে সদরে রয়েছেন ১১০ জন, জলঢাকা উপজেলায় ৬৭ জন, ডিমলা উপজেলায় ৪৯ জন, সৈয়দপুর উপজেলায় ৪৬ জন, ডোমার উপজেলায় ৩৮ জন ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২৮ জন রয়েছেন।

জেলায় পরীক্ষার জন্য এ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩ হাজার ২২৯ জনের। ২ হাজার ৯৪২টি নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে। এখনো রিপোর্টের অপেক্ষাধীন ২৮৭ জন।

জেলায় করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের এক ব্যক্তি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। একইভাবে সৈয়দপুর উপজেলার এক ব্যক্তি উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। এ ছাড়া নীলফামারী জেলা সদরের দুই ব্যক্তি নমুনা দেওয়ার পর উপসর্গ নিয়ে মারা যান। পরে রিপোর্টে তাঁদের করোনা পজিটিভ আসে। জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নে এক নারীসহ দুজনের করোনা শনাক্ত হওয়ার পর নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় তাঁরা মারা যান। মৃতদের একজনের বয়স ৩৫ বছর হলেও বাকি ৫ জনের বয়স ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে।

জেলায় কোভিডে সংক্রমিত রোগীর চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যার নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ১০৮টিসহ জেলায় মোট আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৯৮টি। গত বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ১৩ হাজার ১০৯ জন। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২০৮ জন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন