default-image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শিক্ষক ওয়াজেদ আলী ওরফে টুকুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামির অনুপস্থিতিতে নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওয়াজেদ আলীর বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলায়। মামলা দায়েরের পর থেকেই তিনি পলাতক।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, বিয়ের কথা বলে ২০০৪ সালে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন শিক্ষক ওয়াজেদ আলী। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে একই বছরের ২৪ জুন নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ ওয়াজেদ আলীকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নামে একটি মামলা করে।

মামলাটি তদন্ত শেষে সৈয়দপুর থানার উপপরিদর্শক আজগর আলী ২০০৪ সালের ১৫ আগস্ট অপর দুই আসামিকে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওয়াজেদ আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি রমেন্দ্র নাথ বর্ধন বলেন, ওয়াজেদ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাঁকে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন