বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর তাঁর বক্তব্যে বলেন, নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলার সংকট নিরসনে তিনি নীলফামারীর দুজন ব্যবসায়ীকে বলেন। তাঁরা আগ্রহের সঙ্গে এগিয়ে এসেছেন। সাংসদ নূর বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের যাঁরা বিত্তবান আছেন, তাঁরা অনেকে এই সংকট মোকাবিলায় নিজ নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসবেন।’

একটি সাধারণ সিলিন্ডারে প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ১৫ লিটার অক্সিজেন দেওয়া যায়। কিন্তু হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা দিয়ে প্রতি মিনিটে ৬০ লিটার অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব, যা সংকটাপন্ন করোনা রোগীদের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নূর স্যার আমাদের যে পথ দেখিয়ে দিলেন, ওই পথ ধরে আমরা এগিয়ে আসতে পারি। সমাজে যাঁরা বিত্তবান আছেন, সামর্থ্যবান আছেন, তাঁদের আরও অনেকে এমন করে আসতে পারেন।’

সিভিল সার্জন মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘জনগণের সার্বিক সহযোগিতা ছাড়া কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব নয়। করোনার নতুন নতুন ভেরিয়েন্ট আসছে। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে আমাদের অভ্যস্ততা গড়ে তুলতে হবে।’

২৫০ শয্যার নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অমল রায় বলেন, এই হাসপাতালে কোভিড রোগীদের চিকিৎসায় ১০০ শয্যা করা হয়েছে। বর্তমানে ওই ১০০ শয্যায় ৪০ করোনা রোগী ভর্তি আছেন। এখানে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা থাকলেও একটি মাত্র হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা ছিল। এখন আরও দুটি পাওয়া গেল। একটি সাধারণ সিলিন্ডারে প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ১৫ লিটার অক্সিজেন দেওয়া যায়। কিন্তু হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা দিয়ে প্রতি মিনিটে ৬০ লিটার অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব, যা সংকটাপন্ন করোনা রোগীদের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন