সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ৪৭ জন পুরুষ ও ২৯ জন নারী। তাঁদের মধ্যে সদর উপজেলার বাসিন্দা ৩৬ জন, কলমাকান্দার বাসিন্দা ১০ জন, আটপাড়ার ৬ জন, দুর্গাপুরের ২ জন, পূর্বধলার ৫ জন, মোহনগঞ্জের ৯ জন, বারহাট্টা ও মদনের ৪ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭৭। এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২০ হাজার ২৬৭টি। এর মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে ১৯ হাজার ৮৭৯টির। শনাক্তের গড়হার ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

নেত্রকোনা জেলায় এখনো কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা, ভেন্টিলেটর, আইসিইউ শয্যাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে করোনায় কেউ মারা যায়নি। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৩ জন। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ২৫৯ জন। সুস্থতার হার ৬৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

চিকিৎসার সুব্যবস্থা নেই

নেত্রকোনায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার কোনো সুব্যবস্থা নেই। জেলায় এখনো কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা, ভেন্টিলেটর, আইসিইউ শয্যাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই। ফলে করোনায় আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসাসেবা পেতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বর্তমানে তিনজন রোগী ভর্তি রয়েছেন। জটিল রোগী হলে ময়মনসিংহ ও ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সেলিম মিয়া বলেন, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে তৃতীয় তলায় করোনা ইউনিটে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ হবে। তবে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর ইত্যাদি চালু করতেও কমপক্ষে পাঁচজন অবেদনবিদ, তিনজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।