বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল কাদের লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন প্রচারে বাধা, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, চেয়ার–টেবিল–মাইক ভাঙচুর, কর্মী-সমর্থকদের মারধরসহ ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

শফিকুল কাদের বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি নির্বাচন কমিশনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে আজাহারুল ইসলাম বলেছেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাঁর লোকজন কাউকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রচারে বাধা দেননি। শফিকুলের লোকজনই নৌকার কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছেন এবং হামলা চালিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল লতিফ শেখ ও নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আগামী বৃহস্পতিবার এ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৪ হাজার ৩৯৮ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন