বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে মৃত্যুর আগে গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৭ মিনিটে কাইয়ুম তাঁর ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নেত্রকোনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রশিদের কাছে ই-মেইল পাঠান, পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। গতকাল সকালে ই–মেইলটি পুলিশের হাতে আসে।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। এ ই–মেইলে আবদুল কাইয়ুম বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেছেন। তিনি নিজেকে অসহায় উল্লেখ করে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া কথা লিখেছেন। কিন্তু কেন তিনি এসব লিখেছেন, ছেলেকে হত্যার পর কাইয়ুম আত্মহত্যা করেছেন কি না, অথবা এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না; সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

এসব বিষয়ে কাইয়ুমের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান তিনি। কাইয়ুম ও তাঁর ছেলের ডিএনএ নমুনা ও ভিসারা নমুনা পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা শহরের নাগড়া এলাকার পাঁচতলা একটি ভবনের চারতলা থেকে আবদুল কাইয়ুম সরদার ও তাঁর ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন ছালমা খাতুন জানিয়েছিলেন, রাতে খাবার খেয়ে তাঁরা এক বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটায় জেগে উঠে পাশের কক্ষে একটি ফ্যানের সঙ্গে স্বামী ও সন্তানের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে তিনি রশি কেটে লাশ দুটি নামান এবং বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। পরে স্থানীয় লোকজন থানা-পুলিশকে খবর দেন।

আবদুল কাইয়ুম সরদারের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালের খামার গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আক্কাস সরদারের ছেলে। তিনি নেত্রকোনায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করতেন। শহরের নাগড়া এলাকার ওই বাসার চারতলায় স্ত্রী-সন্তানসহ ভাড়া থাকতেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন