বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের নাগড়া এলাকার একটি ভবনের পাঁচতলা বাসা থেকে বাবা আবদুল কাইয়ুম সরদার (৩২) ও তাঁর দুই বছরের ছেলে আহনাব শাকিলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বেলা আড়াইটার দিকে কাইয়ুম সরদারের স্ত্রী সালমা খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ছালমা খাতুনকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে এখন বিস্তারিত বলা যাবে না। এ ছাড়া রান্নাঘরে থাকা রেস্তোরাঁ থেকে আনা খাবারের প্যাকেট ও বোতলের জুসও পরীক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে আজ দুপুর ১২টার দিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে কাইয়ুম সরদার ও তাঁর ছেলের লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা শ্রদ্ধানন্দ নাথ ও টিটু রায় ময়নাতদন্ত করেছেন। এ সময় হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. একরামুল হাসান ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসক শ্রদ্ধানন্দ নাথ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই বছরের ওই শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে শিশুর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় দুজনের লাশের ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উভয়ের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার ঢাকায় এসব নমুনা পাঠানো হবে। ভিসেরা প্রতিবেদন হাতে এলে মৃত্যুর কারণ বিষয়ে স্পষ্ট হওয়া যাবে।

পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা দুটি মুঠোফোন ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। থানা-পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা এ বিষয়ে কাজ করছেন। দ্রুতই রহস্যের জট খুলবে বলে তিনি আশা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন