বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরকোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মেদনী ইউনিয়নের প্রার্থী মিজানুর রহমান খান, মৌগাতী ইউনিয়নের এ কে এম মহিউল ইসলাম, সিংহের বাংলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাক্কারুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলী আহসান, জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও কালিয়ারা গাবড়াগাতি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এ আর আলী আজগর খান পাঠান, চল্লিশা ইউনিয়নের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার ফকির, জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের প্রার্থী মো. আবুল কালাম ও কাইলাটি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর একটি ইউনিয়ন মদনপুরে আওয়ামী লীগের সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মোস্তফা ই কাদের গত ২৪ অক্টোবর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাই ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউর রহমান বলেন, সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা নয়জনকে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দলীয় প্রার্থীর হয়ে কাজ করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত না মেনে তাঁরা সরাসরি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। এ জন্য তাঁদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁদের স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া প্রার্থীদের একজন চল্লিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার ফকির বলেন, ‘আমি দলের একনিষ্ঠ কর্মী। জনগণকে নিয়েই দল। আমি গতবার জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমার ইউনিয়নের জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে এবারও প্রার্থী হয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন