ওয়ার্ল্ড ভিশন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিন গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ইরিশ মিতেনা উপজেলার নলছাপড়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডা দেন এবং তাদের নাচ-গান উপভোগ করেন। সংস্থাটির ‘আলট্রা পুওর গ্রাজুয়েশন’কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া একদল নারীর অভিজ্ঞতার গল্প শোনেন তিনি। এ সময় এক কন্যাশিশুর দায়িত্ব নেন ইরিশ মিতেনা।

প্রকল্প পরিদর্শনের দ্বিতীয় দিন সকালে লেঙ্গুরা গ্রাম উন্নয়ন দলের সঙ্গে নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন মিস ইউনিভার্স। এরপর গ্রামের কমিউনিটি কিচেন বা এলাকাভিত্তিক রান্নাঘরে শিশুর জন্য পুষ্টিকর খাবার রান্নার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

আজ বিকেলে লেঙ্গুরা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ শেষে সন্ধ্যায় তিনি দুর্গাপুরের বিরিশির ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কালচারাল একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ইরিশ মিতেনা জানান, বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের উন্নয়নে ফ্রান্সসহ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আবেদন জানাতেই তাঁর এ সফর। বাংলাদেশের সংস্কৃতি তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তিনি মেয়েদের খেলা দেখে খুবই আনন্দিত। প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাস করেও তারা খেলাধুলাসহ শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ বন্ধসহ নারীর অগ্রগতি আরও বৃদ্ধি পাবে।

২০১৬ সালে ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্স প্রতোযগিতায় ৮৬ জন অংশগ্রহণকারীকে পেছনে ফেলে সুন্দরী প্রতোযোগিতার খেতাব জেতেন ফ্রান্সের ইরিশ মিতেনা। মডেলিং, টেলিভিশন উপস্থাপিকা ও বিভিন্ন সুন্দরী প্রতেযাগিতায় বিচারক হিসেবে কাজ করা ২৯ বছর বয়সী ইরিশ মিতেনার পড়াশোনা দন্তচিকিৎসা বিষয়ে। শিশুদের কল্যাণে দুই বছর ধরে তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন ফ্রান্সের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন