বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত সাংবাদিক রানা আকন্দ আজকের পত্রিকার কলমাকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি কলমাকান্দার কৈলাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ কান্দাপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান আকন্দের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার সকালে বিজয় দিবসের সংবাদ সংগ্রহ ও স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিতে গিয়ে সিধলী সেতুর ওপরে তিনি হামলার শিকার হন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় বিজয় দিবসে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে কৈলাটি ইউনিয়নের সিধলী বাজারে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ সময় সাংবাদিক রানা আকন্দ সদর উপজেলার বোবাহালা মোড় দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে সিধলী সেতু পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখন কৈলাটি ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল ভূঁইয়ার লোকজন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা তাঁকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে জখম করা হয়।

স্থানীয় লোকজন আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রানা আকন্দের বাবা ওই দিন রাতে নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় চেয়ারম্যান রুবেল ভূঁইয়া, তাঁর বড় ভাই জুয়েল ভূঁইয়া, ছোট ভাই সোহেল ভূঁইয়া, কামরুল ভূঁইয়া, ভাতিজা জুয়েল আকন্দের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়। তবে পুলিশ এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

মানববন্ধনে হায়দার জাহান চৌধুরী বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা নিন্দনীয় ও ন্যক্কারজনক। এটা সাংবাদিক সমাজকে আতঙ্কিত করে। সাংবাদিকেরা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে থাকেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় তাঁদের নানাভাবে হয়রানি-নির্যাতন, এমনকি হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়, যেটা পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ। রানা আকন্দের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।’

জানতে চাইলে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন