default-image

নোয়াখালীর চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) আরও ৯৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সেনবাগ উপজেলার মা ও ছেলে-মেয়েসহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্য রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এর আগে রাতে নোয়াখালীর দুইটি করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাবরেটরি আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নমুনা পরীক্ষার ওই ফলাফল জানানো হয়। দুটি ল্যাবে ২৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ওই ফলাফল পাওয়া যায়। নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে পজিটিভের হার ৩৮ দশমিক ৭০ শতাংশ।


জেলার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সিভিল সার্জন মো. মোমিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, নতুন করে ৯৬ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে।এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ৫৭৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১২ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৪১ জন।

সিভিল সার্জন জানান, নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪১ জন সদর উপজেলার। আর ৩৪ জন বেগমগঞ্জ উপজেলার।বাকিরা অন্যান্য উপজেলার।


চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাক আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, চাটখিলে গতকাল শুক্রবার পাওয়া নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয়জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ জন।


অন্যদিকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।পরিবারের সদস্যরা মৃত ব্যক্তির উপসর্গ গোপন করে লাশ দাফন করে ফেলেন।পরে পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জ্বর, কাশি দেখা দেয়।খবর পেয়ে তাঁরা গিয়ে পাঁচ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করেন। গতকাল শুক্রবার রাতে পাওয়া ফলাফলে ওই পাঁচজনের পজিটিভ এসেছে। আজ শনিবার সকালে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।


জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলায় আক্রান্ত ৫৭৫ জনের মধ্যে বেগমগঞ্জ উপজেলায় ২৬০ জন, সদরে ১২১ জন, কবিরহাটে ৬২ জন, চাটখিলে ৩৭ জন, সোনাইমুড়ীতে ৩৬ জন, সেনবাগে ২৮ জন, সুবর্ণচরে ১৭ জন, কোম্পানীগঞ্জে আটজন ও হাতিয়া উপজেলায় ছয়জন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0