স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী জসিম উদ্দিনের সমর্থকেরা শান্তিরহাট বাজারে আবদুর রবের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় আবদুর রবের নির্বাচনী কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনাসহ দলীয় নেতাদের ছবি ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার পর থেকেই শান্তিরহাট বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে সন্ধ্যার দিকে আলী হায়দারের সমর্থকেরা মোটরসাইকেল শোডাউন নিয়ে শান্তিরহাট বাজারে আসেন। এ সময় আলী হায়দারের সমর্থকেরা উসকানিমূলক স্লোগান দিতে শুরু করলে আবদুর রবের সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে আলী হায়দারের কয়েক সমর্থক আহত হন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় আলী হায়দারের সমর্থকদের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে।

আলী হায়দার বকশি অভিযোগ করেন, বিনা উসকানিতে নৌকার প্রার্থী আবদুর রবের নেতৃত্বে তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় তাঁর ছেলেসহ ১০ কর্মী আহত হয়েছেন এবং ৩টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুর রব বলেন, আলী হায়দার বকশি ও জসিম উদ্দিন পরিকল্পিতভাবে বারবার তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছেন। গতকাল দুপুরে প্রথমে জসিম উদ্দিনের লোকজন শান্তিরহাট বাজারে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরের ছবিসহ চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। সন্ধ্যায় একই স্থানে আলী হায়দার বকশির লোকজন তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন প্রথম আলোকে জানান, বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। এ ঘটনায় নৌকার প্রার্থী আবদুর রবের পক্ষ থেকে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন