বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, নৌকার নির্বাচনী প্রচারের জন্য জিরতলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বারোইচাতল ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহেষপুর গ্রামে দুটি নির্বাচনী কার্যালয় করা হয়েছে। এর মধ্যে মহেষপুর কার্যালয়টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের স্থায়ী কার্যালয়। গতকাল রাত ১২টার দিকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামছুল আলমের লোকজন ওই দুটি কার্যালয়ে ককটেল হামলা করেন। পরে তাঁরা কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন এবং আগুন ধরিয়ে দেন।

সামছুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অমান্য করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনী কার্যালয় করেছে, যা ইতিমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। নির্বাচনে আমার পক্ষে ভোটারদের গণজোয়ার দেখে নৌকার প্রার্থীর লোকজন নিজেরা নিজেদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের নাটক সাজিয়ে আমার লোকজনকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। রোববার রাতের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো কর্মী-সমর্থক জড়িত ছিল না।’

নৌকার দুটি নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা–ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পরস্পরকে দোষারোপ করেছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পঞ্চম ধাপে ৫ জানুয়ারি জিরতলী ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের প্রচার। জিরতলী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাতজন। মোট ভোটার ২১ হাজার ৭৫৬ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন