বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন চিকিৎসক মাসুম ইফতেখার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বেলা তিনটায় বলেন, গ্রামের ভেতর চক্ষু হাসপাতাল নাম দিয়ে এভাবে মানুষের সঙ্গে চিকিৎসার নামে প্রতারণা কল্পনাও করা যায় না। তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে হাসপাতালটিতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

কয়েক মাস আগে কাশিপুর দক্ষিণ বাজারে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয় একটি চক্র ‘কাশিপুর চক্ষু চিকিৎসালয়’ নামের সাইনবোর্ড দিয়ে অবৈধভাবে হাসপাতাল ব্যবসা শুরু করেন।

বন্ধ করে দেওয়া চক্ষু হাসপাতালের বিপণন ব্যবস্থাপক মো. জামসেদ সরকারি অনুমোদন না নিয়েই চক্ষু হাসপাতালের ব্যবসা শুরুর কথা স্বীকার করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, প্রবাসী খোরশেদ আলম ও তিনিসহ কয়েকজন মিলে কিছুদিন আগে হাসপাতালটি চালু করেছেন। সরকারি অনুমোদনের জন্য যোগাযোগ শুরু করেছেন। আজ সিভিল সার্জন তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় এখন আপাতত চিকিৎসা বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেলা শহরে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সড়কের দুই পাশে নানা নামে ব্যাঙের ছাতার মতো একের পর এক বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে। জেলা প্রশাসন কিংবা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে কালেভদ্রে অভিযান পরিচালনা করে অনুমোদনহীন অবৈধ হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হলেও তাদের শক্ত সিন্ডিকেট থাকায় কয়েক দিনের মাথায় আবার প্রতিষ্ঠান খুলে দিব্যি তারা ব্যবসা চালিয়ে যায়। তাই এসবের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা জরুরি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন