default-image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় বসতঘরের দরজা ভেঙে কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. সুমনকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে কৌশলে গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান সিকদার প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভা এলাকায় ঘরের দরজা ভেঙে কিশোরীকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে তিনি কৌশলের আশ্রয় নেন। এর অংশ হিসেবে তিনি মামলা রেকর্ডের বিষয়টি গোপন রেখে সুমনের লোকজনের কাছে খবর পাঠান বিষয়টি এলাকায় বসে মিটমাট করে ফেলতে। তাঁর পাতা ফাঁদে পা দেন সুমন। ঘটনা মিটমাট করতে তিনি এলাকায় ফিরে আসেন।
ওসি কামরুজ্জামান সিকদার বলেন, গোপন সংবাদে সুমনের বাড়িতে অবস্থানের বিষয়টি জানতে পেরে রাত একটার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

হাতিয়ায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

জেলার হাতিয়া উপজেলায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার নারী (২৫) বাদী হয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে হাতিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলার আসামি টোপেল দাশ (২২) ও তাঁর সহযোগী মাসুদ উদ্দিনকে (৩০) হাতিয়ার ওছখালি এলাকা থেকে রাত ১২টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, হাতিয়ার ওছখালি এলাকার এক নারী (২৫) শনিবার রাতে হাতিয়া থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন ওছখালি এলাকার টোপেল দাশের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে। ওই সম্পর্কের সূত্র ধরে টোপেল দাশ তাঁকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এই ধর্ষণে সহায়তা করেন টোপেলের বন্ধু মাসুদ উদ্দিন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের প্রথম আলোকে বলেন, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে শনিবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পরই অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ও অন্যজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করেছেন ওই নারী।
ওসি আবুল খায়ের আরও জানান, ধর্ষণের শিকার নারীকে রোববার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকেও হাতিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0