বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সবাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।

এদিকে গতকাল রাত পৌনে আটটার দিকে চর কাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে খিজির হায়াত খানের গ্রামের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। ওই বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীদের মধ্যে দুজনের হাতে অস্ত্র ছিল। ওই দুই ব্যক্তি গুলি করতে করতে ওই বাড়ির এলাকায় প্রবেশ করে। এ সময় অন্যরা রড ও লাঠি দিয়ে ওই বাড়ির দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। এ ঘটনার পরই পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে নামে।

খিজির হায়াত খান আজ রোববার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাড়িতে হামলা ও গুলির ঘটনায় আজ সকালে তাঁর স্ত্রী মামলা করতে থানায় গেছেন। হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে তাঁরা চিনতে পেরেছেন। তাঁরা সবাই বসুরহাট মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী। মামলায় তাঁদের আসামি করা হবে।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের দাবি, খিজির হায়াত খানের বাড়িতে হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে তাঁরা শনাক্ত করতে পেরেছেন। তাঁরা হলেন—কাদের মির্জার অনুসারী পিচ্ছি মাসুদ ও মানিক। বিষয়টি থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা খিজির হায়াত খানের বাড়িতে হামলা চলাকালে অস্ত্র হাতে যে দুই যুবককে গুলি করতে দেখা গেছে, তাঁদের একজনকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে পেরেছে। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন