বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। হাটকুপুরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকালে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাটপুকুরিয়া উচ্চবিদ্যালয়সহ সাতটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা ছিল। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বেলা ১১টার দিকে নবম শ্রেণির ছাত্র ইয়াছিন হোসেন টিকা নিতে ওই কক্ষে গেলে তাকে একই হাতে পরপর তিনটি ডোজ টিকা দেন টিকাদানকর্মী দিদার হোসেন। এরপর ওই শিক্ষার্থী নিচে এসে ঘটনাটি অন্য শিক্ষার্থীদের জানায়। তিনি বিষয়টি জেনে তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের জানালে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত টিকাদানকর্মীকে শোকজ করা হয়েছে।

টিকাদানকর্মী দিদার হোসেনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত টিকাদানকর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া ওই শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।

তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, তিনবার টিকা দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়। তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, ওই শিক্ষার্থীকে প্রথম এক ডোজ টিকা দেওয়ার সময় হাত নাড়ানোর কারণে টিকার মেডিসিন বাইরে পড়ে যায়। এরপর তাঁকে দ্বিতীয় দফায় টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী বাইরে গিয়ে বলেছে, তাকে তিনবার টিকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন