বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুছ কাজল। সঙ্গে ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আইনজীবী আবদুর রহিম, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি বি ইউ এম কামরুল ইসলাম, আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরুল আমিন, সাবেক সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, বাহার উদ্দিন, খুরশিদ আলম, আবদুর রহিম প্রমুখ।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা চৌমুহনী বাজারে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রীশ্রী রাম ঠাকুরের সমাধি মন্দির, শ্রীশ্রী রাধা জিউর মন্দির, ইসকন মন্দির, বিজয়া দুর্গা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা চৌমুহনীতে আসেন। এরপর তাঁরা চৌমুহনী বাজারে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রীশ্রী রাম ঠাকুরের সমাধি মন্দির, শ্রীশ্রী রাধা জিউর মন্দির, ইসকন মন্দির, বিজয়া দুর্গা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শক দল এ সময় চৌমুহনী বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে ইসকনের রত্নেশ্বর মজুমদার, রাধা মাধব জিউর মন্দিরের নির্মল দাস এবং রাম ঠাকুরের সমাধি মন্দিরের রতন সাহার সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা সবাই মন্দিরগুলোতে আক্রমণ এবং লুটপাটের কথা বলেন। তাঁরা তাঁদের ওপর সংঘটিত ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ যেন না দেওয়া হয়, সে কথাও বলেন।

কুমিল্লার দুর্গা মণ্ডপে হামলার ধারাবাহিকতায় ১৩-১৫ অক্টোবর নোয়াখালীর হাতিয়া, বেগমগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় হিন্দুদের মন্দির, পূজামণ্ডপ, দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হন দুই ইসকন ভক্ত। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় মোট ২৯টি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোতে এ পর্যন্ত ২১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন আসামি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন