পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নের ওই ছাত্রী ঘরে একা ছিল। এ সুযোগে কৌশলে ওই ঘরে ঢুকে হাতিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গুল্লাখালী গ্রামের আবদুল আজিজ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরদিন শনিবার ছাত্রীর মা বাড়িতে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় রোববার ওই ছাত্রীর মা থানায় মামলা করেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আবদুল আজিজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই স্কুলছাত্রীকে রোববার দুপুরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, হাতিয়া থেকে নিয়ে আসা এক কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা রোববার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।