পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় লোকজন আজ সকালে ওই সড়কের পাশে কচুরিপানা ভর্তি ডোবায় একটি লাশ উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পাশের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের হোসেন আহমদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা লাশটি তাঁর ছেলে আবদুর রহিমের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করে। লাশের দুটি পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। এদিকে একই সময়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সড়কের পাশে আবদুর রহিমের ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকটি পাওয়া যায়।

নিহত আবদুর রহিমের বড় ভাই আবদুর রহমান অভিযোগ করেন, বাড়িতে তাঁর ভাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ওই এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের জমিসংক্রান্ত বিরোধ আছে। তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে কীভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন