default-image

নোয়াখালীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপ ভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার সকালে সেনবাগের ভূঁইয়ারদিঘি পেট্রল পাম্প এলাকায় ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে এবং গতকাল সোমবার রাতে চৌমুহনী-মাইজদী সড়কের একলাশপুর উকিল সড়কের মাথায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

এর মধ্যে একলাশপুরের ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুজন, আহত হয়েছেন দুজন। আর সেনবাগের ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন মোটরসাইকেল আরোহী। নিহত তিনজন হলেন একলাশপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুল্লা আল-মামুন (১৮) ও নুর নবী (১৯) এবং সেনবাগের অষ্টদ্রোন গ্রামের আবু সাঈদ ওরফে শাহীন (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে বেগমগঞ্জের চৌমুহনী-মাইজদী সড়কের একলাশপুর উকিল সড়কের মাথায় রাখা বালু রিকশাভ্যানে করে বাড়িতে নিচ্ছিলেন আবদুল্লা আল-মামুনসহ চারজন কিশোর-তরুণ। এ সময় মাইজদী থেকে চৌমুহনীর দিকে আসা দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে রিকশাভ্যানটিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে চারজনই আহত হন।

বিজ্ঞাপন

ঘটনাস্থলে থাকা বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর আবদুল্লা আল-মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত নুর নবীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ঢাকায় মারা যান।

পরিদর্শক রুহুল আমিন বলেন, এ ঘটনায় আহত অপর দুজনের মধ্যে আল-আমিনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং মো. আবদুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে যায়। আজ সকালে দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপটি জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, আজ সকাল আটটার দিকে সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভূঁইয়ারদিঘি এলাকার পেট্রল পাম্পের কাছে ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে মোটরসাইকেলকে পিকআপ ভ্যান চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল আরোহী আবু সাঈদ ওরফে শাহীন মারা যান। তিনি সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের অষ্টদ্রোন গ্রামের আবদুর রবের ছেলে।

ঘটনাস্থল থেকে সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সবুজ প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছেন। এ ছাড়া দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন