বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার জানান, বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ১ জানুয়ারি হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের এক নারীকে স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের বাড়ির একটি ঘরে পেয়ে দুজনকে আটক করে মারধর করেন স্থানীয় উচ্ছৃঙ্খল কিছু লোক। একপর্যায়ে ওই পুরুষ কক্ষের জানালা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। উচ্ছৃঙ্খল লোকজন তাঁকে ধরে মারধর করে টেনেহিঁচড়ে আবার ঘরের ভেতর নিয়ে মারধর করেন। ওই দুই নারী–পুরুষকে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অপবাদ দিয়ে সুপারিগাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ঘটনাটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্যাতনের শিকার পুরুষের কাছ থেকে মামলা নেওয়া হয়েছে। মামলায় তিনি ১১ জনকে আসামি করেছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, নির্যাতনের ঘটনায় ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে ৫ জানুয়ারি নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ওই নারী। মামলাটি হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তদন্ত করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন