বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে মাহবুবুর রশিদ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আ জ ম পাশা চৌধুরী ওরফে রোমেল।

বক্তারা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশের উপস্থিতিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা প্রয়াত সাবেক সাংসদ আবু নাছের চৌধুরীর বাড়িতে হামলা ও গুলি চালিয়েছে। এতে বাড়ির অন্তত ছয়জন নারী-পুরুষ আহত হন। তারা এ সময় বাড়ির দরজা-জানালার কাচ ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আ জ ম পাশা চৌধুরী রোমেলকে হত্যা করা। তবে তিনি না থাকায় বেঁচে যান। এ সময় বাড়ির নারীরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পাননি।

মাহবুবুর রশিদের অভিযোগ, সাবেক সাংসদের বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং পুলিশের উপস্থিতিতেই কাদের মির্জার সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে গুলি করেছে, ককটেল হামলা চালিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সন্ত্রাসী বাহিনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর নবী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, সাংবাদিক প্রশান্ত সুভাস চন্দসহ অন্তত ১০ জনকে পঙ্গু করেছে। যাদের অনেকে এখনো ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ মামলা রেকর্ড করেনি।

মামলা রেকর্ড না করার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, সাবেক সাংসদের বাড়িতে হামলার ঘটনার দিন পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ না করেই মামলা না নেওয়ার অভিযোগ করা অযৌক্তিক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন