বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মুকবুল হোসেন (৩২), অটোরিকশাচালক মো. কামরুল (২৫), স্থানীয় বাসিন্দা নুর হোসেন (৩০) ও আবদুল মান্নান (৪৯)। তাঁদের আজ শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের সুধারাম থানাসংলগ্ন ট্রাফিক পুলিশের মেসের বাবুর্চির কক্ষে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার তরুণী জেলার সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা। তরুণীর মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কনস্টেবল মুকবলু হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদীর মেয়ে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। ঢাকায় ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে আসামিদের কাছে সহায়তা চাইতে গিয়ে তিনি ধর্ষণের শিকার হন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়ার পরই তিনি অভিযুক্ত আসামিদের আটক করেন। এরপর ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের সদস্যদের খবর দিয়ে থানায় এনে তাঁদের দিয়ে মামলা করানো হয়। ওই মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন