বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত শেফালী হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মো. ইউছুফের স্ত্রী। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মো. আবুল কালাম (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি এলাকা থেকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে শেফালী বেগমের সঙ্গে গাছ কাটা ও শৌচাগার ব্যবহার নিয়ে একই আশ্রয়ণের বাসিন্দা আবুল কালামের কথা–কাটাকাটি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে শেফালী বেগমের (২৮) সঙ্গে গাছ কাটা ও শৌচাগার ব্যবহার নিয়ে একই আশ্রয়ণের বাসিন্দা আবুল কালামের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আবুল কালাম উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে শেফালী বেগমের পেটে ও বাঁ হাতে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেন। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শেফালী বেগমকে নোয়াখালী জেলা শহরের বেসরকারি প্রাইম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেফালী মারা যান।

খবর পেয়ে সুধারাম থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম কুপিয়ে হত্যা বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনা পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও হাতিয়া থানার পুলিশ তাঁকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। পরে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাতিয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন