এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকালের দিকে ওই বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা উপজেলা পরিষদের সামনে জড়ো হন। বেলা ১১টার দিকে তাঁরা সেখানে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা মিজানুর রহমানকে লাঞ্ছিত করায় রমজান আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। পরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে ওই ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মিজানুর রহমান। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পর তিনি তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি হাসপাতালের সামনে রেখে ভেতরে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন, মোটরসাইকেলের চাকায় হাওয়া নেই এবং এক্সেকেলেটর নষ্ট। পরে মোটরসাইকেল চালু করে এক্সেলেটর ঠিক করতে গিয়ে প্রচণ্ড শব্দ হয়।

এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত চাটখিল থানার এসআই রমজান আলী তাঁকে ফটকের বাইরে গিয়ে মোটরসাইকেল ঠিক করার কথা বলেন এবং শব্দে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে এসআই রমজান আলী ওই শিক্ষককে দুই দফায় চড়থাপ্পড় মারেন বলে মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন। পরে ইউএনও বিষয়টি শুনানি করে মীমাংসা করে দেওয়ার জন্য চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অনুরোধ করেন।

ওসি আবুল খায়ের বলেন, তিনি অভিযুক্ত রমজান আলী এবং মিজানুরকে মুখোমুখি করার ব্যবস্থা করেছিলেন। রমজান আলী এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি আজ শুনেছেন, কিছু শিক্ষার্থী উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেছেন। তবে তাঁরা অন্য কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও হতে পারে। শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের বিষয়টি তিনি জেলা পুলিশ সুপারকেও অবহিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন