বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, সামছুদ্দিন আহাম্মেদ কুমিল্লা ও বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে হিন্দুদের মন্দিরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর ওই সব ঘটনার ভিডিও তাঁর নিজের ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে আপলোড করেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লিখিত ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক পোস্ট ফেসবুকে দেন এবং বিভিন্নজনকে শেয়ার করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁকে আটক করে। আটকের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ভিডিও আপলোড এবং উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

মন্দিরে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার আরও একজন

এদিকে শনিবার ভোররাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অপর অভিযানে বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলার মামলায় ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর নাম মো. মঞ্জিল হোসেন (২৯)। সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ১৩-১৫ অক্টোবর নোয়াখালীর হাতিয়া, বেগমগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় হিন্দুদের মন্দির, পূজামণ্ডপ, দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহত হন ইসকনের দুই ভক্ত। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় মোট ২৯টি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোতে এ পর্যন্ত ২২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূরক জবানবন্দি দিয়েছেন আট আসামি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন