বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম প্রথম আলোকে বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত ফরিদ সর্দার ও চান মিয়া নামের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির প্রায় আধা ঘণ্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদ সর্দার মারা যান। আহত অপরজন এখনো চিকিৎসাধীন।
চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল বাশার প্রথম আলোকে বলেন, দুর্বৃত্তরা নুরনবী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরিদ ও তাঁর সহযোগী চান মিয়াকে কুপিয়ে আহত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর ফরিদ মারা যান।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ওসি মো. জিয়াউল হক বলেন, নুরনবীর ছেলেসহ একদল দুর্বৃত্ত ফরিদ ও চান মিয়াকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে হাসপাতালে ফরিদ মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। নিহত ব্যক্তির লাশ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ফরিদের ছেলে জয়নাল আবদিন মুঠোফোনে প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের পক্ষে ভোট করেছিলেন। এ কারণে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরীর লোকজন তাঁর বাবাকে আজ কুপিয়ে হত্যা করেছেন। খুন হওয়া নুরনবীর ছেলেরাও এ ঘটনায় জড়িত। তাঁরা সবাই আনারসের ভোট করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে নির্বাচনে তাঁর বিপক্ষে ভোট করার কোনো সম্পর্ক নেই। যিনি খুন হয়েছেন, তিনি একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি। হত্যার শিকার নুরনবীর ছেলেরাসহ তাঁদের লোকজন আজকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী ষড়যন্ত্র করে এসব প্রচার করাচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন