বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, ঘটনাটি জানাজানি হলে নির্বাচনে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা ও তাঁর সমর্থকেরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা ফল বাতিল করে নতুন করে ভোট নেওয়ার দাবি জানান। বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ ব্যালটের মুড়ি ও সিল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

নির্বাচনে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল হুদা অভিযোগ করেন, নির্বাচন চলাকালে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের লোকজন কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে ব্যালট পেপার বাইরে নিয়ে সিল মেরে তাঁদের প্রার্থীকে বিজয়ী করেন।

default-image

এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা হানিফ ভূঁইয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক বিটন চন্দ্র রায়ের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। রিটার্নিং কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গাউছুল আজম পাটোয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তিনটি ব্যালটের মুড়ি তাঁর ব্যবহৃত টেবিলের ড্রয়ারে পেয়েছেন বলে তাঁকে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন। পুলিশের পাঁচটি মুড়ি উদ্ধার করার বিষয়ে গাউছুল আজম কোনো মন্তব্য করেননি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচটি ব্যালট পেপারের মুড়ি ও একটি সিল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

আমানউল্যাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে মন্দিরে হামলা–ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী বাহারুল আলম ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ১০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুল হুদা পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯১ ভোট। নৌকা প্রতীক প্রার্থী আরিফুর রহমান মাহমুদ ১ হাজার ৭০৫ ভোট পেয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন