বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসকের নম্বর দেখে অনেকেই তা বিশ্বাস করেন। এর মধ্যে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র খালেদ সাইফুল্লাহ এক লাখ টাকা জোগাড়ও করেন। পরে কৌতূহলবশত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ফোন দিয়ে জানতে পারেন তিনি প্রতারকের খপ্পরে পড়তে যাচ্ছিলেন। পরে তিনি টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকেন।

সেনবাগ পৌরসভার মেয়র আবু নাছের প্রথম আলোকে বলেন, দুপুর ১২টার পর জেলা প্রশাসকের মুঠোফোন নম্বর থেকে তাঁর কাছে কল যায়। অপর প্রান্ত থেকে ডিসির পরিচয় দিয়ে টিআর, কাবিখা প্রকল্পের কাজ দেওয়ার কথা বলে। পরে দ্রুত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক লাখ টাকা পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। তখন তিনি সরাসরি টাকা দিতে চান। এরপর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

ব্যবহৃত সরকারি মুঠোফোন নম্বর ক্লোনের বিষয়ে জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতারক চক্রকে এরই মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। ঢাকার উত্তরা থেকে কলগুলো করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন