বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হুমকির পরপরই মাহবুবুর রহমান জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলামকে বিষয়টি জানান। পুলিশ সুপারের তাৎক্ষণিক নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সুধারাম মডেল থানার পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে।

প্রথম আলোর নোয়াখালীর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহবুবুর রহমান তাঁর জিডিতে উল্লেখ করেন, বুধবার বেলা দুইটার দিকে তাঁর মুঠোফোনে একটি অপরিচিত মুঠোফোন নম্বর (০১৭৫৮-২৭১৯০৪) থেকে কল আসে। কল রিসিভ করার পর অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি তাঁকে (প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক) অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তাঁকে কোর্টের সামনে যেতে বলেন এবং তাঁকে সপরিবার হত্যার হুমকি দেন। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে ওই ব্যক্তি পরিচয় না দিয়ে আরও গালমন্দ করে কল কেটে দেন।

হুমকির পরপরই মাহবুবুর রহমান জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামকে বিষয়টি জানান। পুলিশ সুপারের তাৎক্ষণিক নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সুধারাম মডেল থানার পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে কলটি নোয়াখালীর একটি উপজেলা থেকে করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হুমকিদাতাকে শনাক্ত করার পাশাপাশি তাঁকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

একই মুঠোফোন নম্বর থেকে আজ প্রায় একই সময়ে দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মো. রফিকুল আনোয়ারকেও গালমন্দ করার পাশাপাশি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় তিনি নিজেই মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বিষয়টি জানিয়েছেন। হুমকির বিষয়ে তিনি ঢাকার পল্টন থানায় একটি জিডি করেছেন বলে জানান। সাংবাদিক মো. রফিকুল আনোয়ারের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।

জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সাংবাদিককে ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়ার বিষয়টিকে তাঁরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা ডিবির পুলিশ ও সুধারাম থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ ইমদাদুল হক জানান, প্রথম আলোর প্রতিবেদককে হুমকির ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানার একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন