বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন চলাকালে নোয়াখালী পৌরসভা সীমানার ভেতর সব ধরনের যানবাহন, দোকানপাট, শপিং মল, চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যবাহী গাড়ি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ি এবং অনুমোদিত গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে না। এ ছাড়া সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। ওষুধের দোকান স্বাভাবিক নিয়মে খোলা থাকবে। খাবারের দোকান থেকে খাবার কিনে নিয়ে খাওয়া যাবে।

লকডাউনের আওতাধীন এলাকাগুলো হলো নোয়াখালী পৌরসভা এবং সদর উপজেলার কাদির হানিফ, নোয়ান্নই, বিনোদপুর, নোয়াখালী ইউনিয়ন, নেয়াজপুর ও অশ্বদিয়া ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের অভ্যন্তরে সব ধরনের দোকানপাট, যানবাহন বন্ধ থাকবে। বাইরের কোনো এলাকা থেকে পণ্যবাহী গাড়ি ছাড়া কোনো যানবাহন এসব এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।

জেলা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব ও সিভিল সার্জন মাসুম ইফতেখার প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় জেলার সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে স্বাস্থ্য বিভাগ। সে অনুযায়ী নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন লকডাউনের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়।

করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গত ৫-১১ জুন প্রথম এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এরপর ১০ জুন তা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়। কিন্তু দ্বিতীয় সপ্তাহেও সংক্রমণের হার ২০ শতাংশের নিচে না নামায় আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বলবৎ রাখার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।